What is YT Studio ? How to use Tuber pro and popular your youtube channel’s

What is YT Studio ? How to use Tuber pro and popular your youtube channel’s

YT Studio কি? কিভাবে Tuber pro ব্যবহার করবো ও সুবিধা সমূহ।

Yt studio আমরা অনেকেই ব্যবহার করি না। কারণ ইউটুবে এই ফিচারটি না ব্যবহার করলেও চলে। তবে এই ফিচারটির এতো সুবিধা আছে যা আমরা কখনো জানার চেষ্টাও করি না।

আপনি জানলে অবাক হবেন যে এটি ব্যবহার করলে আপনি সহজেই আপনার চ্যানেলের সব জানতে পারবেন। সব বলতে আপনার ইউটুব চ্যানেলের খুটিনাটি দেখতে পারবেন। এই ফিচারটিকে ব্যবহার করে খুব সহজেই আপনার ভিজিটরদের কমেন্টের উত্তর দিতে পারবেন। আপনার ভিডিওতে যত কমেন্ট পরবে সব কমেন্ট আপনার কাছে একবারে শো করবে।

তাই আপনার কোন ইউজার বাদ পড়বে না উত্তর পাওয়ার দিক থেকে। আরো দেখতে পারেন কোন কোন ভিডিওতে কত পরিমাণ ভিউ হয়েছে। আর আপনার চ্যানেলে যদি মনিটাইজেশন অন থাকে তাহলে কত পরিমাণ ডলার ইনকাম হয়েছে তাও দেখতে পারবেন খুব সহজেই।

Yt studio

এখানে আরো দেখতে পারেন টোটাল ভিউ কয়টা,মোট ওয়াচ টাইম এবং এভারেজ কত টাইম বা মিনিট দেখেছে এগুলো সব দেখতে পারবেন।

আরো নিচের দিকে আসলে আপনার আপলোড কৃত ভিডিও গুলো দেখতে পারবেন।
আরো নিচের দিকে কমেন্ট সমূহ দেখতে পারবেন। কে কি কমেন্ট করেছে এবং সাথে সাথে উত্তরও দিতে পারবেন।

সর্বোপরি সবার প্রথম আপনার চ্যানেলে লাস্ট ২৮ দিনে কত ভিউ,ওয়াচ টাইম,সাবস্ক্রাইব হয়েছে দেখতে পারবেন।

আপনার যদি একাধিক চ্যানেল থাকে তাহলে উপরে কোনায় আপনার ইউটুব চ্যানেলের লোগোর উপর ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর আপনি আপনার চ্যানেল দেখতে পারবেন সেখানে চাপ দিলে আপনাকে অন্য চ্যানেল সিলেক্ট করতে বলবে।

তারপর সেই জিমেইলে ক্লিক করলে চ্যানেলটি অ্যাড হয়ে যাবে।
এরপর আপনার চ্যানেলে যা আছে সব দেখতে পাবেন।

Tuber pro  ( টুবার প্রো ) :

এই অ্যাপটির কাজ হলো আপনার কাজ কে অনেক সহজ করে দেয়া। আপনি প্রশ্ন করতে পারেন কিভাবে আমাদের কাজ সহজ করতে পারে?
আমি উত্তরে বলবো যারা ইউটুবে কাজ করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য ব্যাপক ভুমিকা রাখে এই অ্যাপটি। কারন ইউটুবে যদি একটি ভিডিও জনপ্রিয় করতে চান তাহলে আপনাকে সঠিক ভালো মানের ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে।

আর এই ট্যাগ বের করে দিবে এই অ্যাপটি। বর্তমান সময়ে একটি ভিডিও পপুলার করতে ৫০০ ওয়ার্ডে ট্যাগ নির্বাচন করতে হবে। বর্তমান সময়ে সার্চ হয় এমন ট্যাগ বের করে দেয় টুবার প্রো।

আপনি একটি টাইটেল লিখলেন আপনার ভিডিওর জন্য। সেই টাইটেলটি কপি করে টুবার প্রো অ্যাপে পেস্ট করুন। তার পর ভিউ ট্যাগে ক্লিক করুন দেখবেন বর্তমান সময়ে সার্চ হয় এমন কিছু ট্যাগ আপনার সামনে উপস্হাপন করবে। সেগুলো কপি করে আপনার ভিডিওতে ব্যবহার করুন। দেখবেন তারা তারি আপনার চ্যানেল গ্রো হবে এবং ভিডিও জনপ্রিয়তা অর্জন করবে।

ইউটিউবে সফল হতে আপনাকে অবশ্যই সঠিক টপিক নিয়ে কাজ করতে হবে।

সঠিক টপিকঃ

সঠিক টপিক সমূহঃ

টেক রিলেটেড

ব্লগিং

মিডিয়া

ফানি

সর্ট ফিল্ম

লাইফ স্টাইল

কৌতুক

ইনকাম রিলেটেড

নিউজ রিলেটেড

এই সব সাইটে আপনি সফল হতে পারবেন।

আমাদের মাঝে এমন অনেকেই রয়েছে যারা ইউটিউবে এসে একটি ভুল টপিক নিয়ে কাজ করা শুরু করে যেটাই প্রধানত প্রধান কারণ হয়ে পরে আপনাদের সফলতা না পাওয়ার পিছনে। তাই সঠিক টপিক নির্বাচন করতে হবে।

বেশিরভাগই যে কাজ করে থাকেন সেটা হলো আপনারা প্রথমে ইউটিউবে ঢুকেন তারপর দেখন যে বিষয়গুলো জনপ্রিয় মানে অন্যে যে বিষয়গুলো দিয়ে ইউটিউবে সফলতা পেয়েছে সেই বিষয়টি নিয়ে আপনিও কাজ করা শুরু করে দেন এটা খুবই ভুল একটি সিদ্ধান্ত। তাই এসব ভুল থেকে বাচতে হবে।

সফলতা সে সফলতা পেয়েছে তারমানে এই না যে আপনিও এই একই বিষয়ে তারমত সহজেই সফলতা পাবেন আপনাকে অবশ্যই এমন টপিক নিয়ে কাজ করতে হবে যে টপিকটি আপনি ভালো পারেন সেটা আপনার জন্য সুবিধা হবে এবং যে টপিকে ভিডিও বানানোর মত আপনার জ্ঞান রয়েছে। তাহলে আপনার আর ভিডিও বানাতে বিরক্ত লাগবে না।
যেটা আপনাকে একদিন সফলতার দূর প্রান্তে নিয়ে যাবে।তাই গুরুত্ব সহকারে কাজ করতে হবে।

Quality  (কোয়ালিটি :

হাই কোয়ালিটি সাইট সমুহ উপরে উল্লেখ করেছি সেখান থেকে যে কোন একটি নিয়ে কাজ করতে পারবেন।

Watch time  (ওয়াচ টাইম) :

বর্তমান সময়ে ৪ চার হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম ও ১ এক হাজার সাবস্ক্রাইব হলে আপনি অ্যাডসেন্সে আবেদন করতে পারবেন।

তবে সেটা ১ বছরের মধ্যে হতে হবে।

আপনি যে ধরনের ভিডিওই বানান না কেন আপনার ভিডিওতে কোয়ালিটি থাকতেই হবেই । কোয়ালিটি ছাড়া আপনি কোন ভাবেই আপনার ভিডিও গুলো র‌্যাংকিংয়ে আনতে পারবেন না।

আপনার মান আপনাকে রকখা করতে হবে।ভিডিওতে যখন কোয়ালিটি না থাকবে তখন কিন্তু আপনার পুরো ভিডিওটি কোন মানুষ দেখবে না । এর ফলে আপনার ভিডিওর ওয়াচটাইম কমে যাবে যেটা খুবই ক্ষতিকর আপনার ভিডিও র‌্যাংকিংয়ের জন্য।

এধরনের ভুল কখনোই করা যাবে না।তাই ভিডিও র‌্যাংক করাতে চাইলে অবশ্যই ভিডিওর ওয়াচটাইম বাড়াতে হবে । এবং ওয়াচটাইম বাড়তে হলে ভিডিওতে কোয়ালিটি আনতে হবে কোয়ালিটি ছাড়া কেউ আপনার ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখবে না।

Regular video upload  (নিয়মিত ভিডিও আপলোড ) :

প্রতিদিন ভিডিও আপলোড করলে ভিউ বেশি হয়।ইউটিউবে সফলতা পেতে হলে একটা জিনিস আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে আর সেটা হলো আপনি আপনার চ্যানেলে নিয়মিত আছেন কিনা। বিশেষ করে নতুনদের মাঝে এই সমস্যাটা বেশি দেখা যায় যার ফলশ্রুতিতে তারা খুব বেশি দূর এগোতে পারে না।

মাঝে এসে আটকে যায় কিন্তু আর একটু আগালে স্বপ্ন পুরণ হবে সেটা বোঝে না।আপনি যখনি একটি নতুন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন তখন আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত ভিডিও ছাড়তে হবে কারণ আপনি যখন নিয়মিত ভিডিও ছাড়বেন তখন আপনার ইউজাররা খুব সহজেই আপনার চ্যানেলের সাথে কানেক্টেট থাকবে যেটা খুবেই ভালো সাইন ইউটিউবে সফল হওয়ার জন্য। কখনো এমন জানি না হয় যে আজ একটা ভিডিও ছাড়লেন আবার ২-৩সপ্তাহ কোন খরব নেই আবার একদিন ৩-৪টা ভিডিও ছাড়লেন আবার বেশ কয়েকদিন খরব নেই।

কখনোই এভাব করা যাবে না।অবশ্যই এমন হতে হবে যে, হয় আপনি প্রতিদিন একটি ভিডিও ছাড়বেন অথবা ৩দিনে একটি অথবা এক সপ্তাহে একটি ছাড়বেন, ভিডিও ছাড়ার ক্ষেত্রে এই ভাবে নিয়মিত হতে হবে।

কিভাবে একজন সফল ইউটুবার হবেন, সম্পূর্ণ গাইডলাইন সহ।

তাই বলবো নিয়ম মেনে কাজ করুন ইনশাহআল্লাহ সফল হবেন।

বর্তমান সময়ে ইউটুবের চেয়ে বড় আর কোন প্লাটফর্ম নেই। ইউটুব যেমন টাকা আয়ের সেরা সাইট তেমন ভিডিও শেয়ারের সবচেয়ে বড় মাধ্যম।
ইউটুব বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাপক ভাবে বেড়েই চলছে।

তাই আমরা সবাই ইউটুব থেকে টাকা ইনকাম করতে চাই। চাইলেই কি ইনকাম করা যায়। না কখনো না,কারণ সব সাইটে ইনকামের কিছু নিয়ম রয়েছে।

আমরা বিভিন্ন সফল ইউটিউবারের লাইফস্টাইল, মাসিক আয় দেখে মনে মনে ইচ্ছা করি যে আমরাও হবো সফল ইউটিউবার ।
সফল ইউটুবার হতে হলে আপনাকে ধৈর্য্য ধরে সময় নিয়ে কাজ করতে হবে।
ধৈর্য্য ধরে আজকের টেস্টটিউব ভালো করে পড়ুন।

জিমেইল (Gmail) :

ইউটুব চ্যানেল খোলার জন্য প্রথমেই একটি জিমেইল খুলতে হবে। সেই জিমেইল ব্যবহার করে একটি ইউটুব চ্যানেল খুলতে হবে।

Youtube channel ইউটুব চ্যানেল :

আজ আপনাদেরকে দেখাবো কিভাবে ইউটুব চ্যানেল খুলবেন। প্রথমেই www.youtube.com সাইটে ভিজিট করুন।
তারপর সাইটে দেখবেন সাইন ইন অপশন আছে সেখানে চাপ দিন। তারপর দেখবেন ইউটুব নাম চাইবে সেখানে নাম লিখুন।

নাম দেয়ার পর আপনার ইউটুব চ্যানেলটি কাস্টমাইজেশন করতে হবে। এবার কাস্টমাইজড করার জন্য একটি ব্যানার ফটো দিতে হবে। তার পর একটি প্রোফাইল ফটো অ্যাড করতে হবে।
তারপর আপনার ইউটুব চ্যানেলে বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ার লিংক অ্যাড করতে হবে।
আপনার ইউটুব চ্যানেলটি ভিডিও আপলোড নেয়ার জন্য প্রস্তুত।

Topic টপিক :

ইউটুবে মেইন যে বিষয়টা সেটা হল সঠিক টপিক নির্বাচন করা। আপনি যে বিষয়ে ভাল পারেন ঠিক ঐ বিষয় বা টপিক নিয়ে কাজ করুন দেখবেন একদিন সফল হবেন ইনশাহআল্লাহ।

যারা সঠিক টপিক খুজে নিতে পারে না তারা ইউটুবে সফলতা পায় না। কেউ কেউ দেখে অন্য জন কিভাবে বা কি ধরনের ভিডিও দিয়ে ভাইরাল হয়েছে। সে সব ধরনের ভিডিও দিয়ে সেও পপুলার হতে চাই। এটাই হলো ভুল সিদ্বান্ত। কারন সে তো ভাইরাল হয়েছে সেম একি ধরনের ভিডিও আপলোড করে আপনি কিভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করবেন।

ইউটুবে শুধু আপনার নিজের তৈরি করা ভিডিও বা আপনার নতুনত্ব খুজে বের করতে হবে। ইউটুবে আগে যেটা আছে সেটা অলরেডি অনেকে দেখে ফেলেছে। আপনি সেম একি রকম ভিডিও করলে মানুষ আর দেখবে না। কারন এরকম ভিডিও ইউটুবে আছে। তাই আপনাকে নতুন ধরনের কিছু করতে হবে যে টা মানুষ নতুন মনে করবে।

Copy right কপি করা :

আজকাল নতুনরা ইউটুবার হয়ে ইউটুবে আসে টাকা ইনকাম করার জন্য কিন্তু সে জানতে চায়না শর্ত সমূহ। ইউটুবে দেখে কোন ভিডিওটি মানুষ বেশি দেখেছে। আর কোন ভিডিওর কত লাখ ভিউ,লাইক,কমেন্ট ইত্যাদি। এসব দেখে ঠিক সেই ভিডিও ডাউনলোড করে তার ইউটুব চ্যানেলে আপলোড করে। তারপর দেখা যায় একটা ভিউস ও হয় না। এখন ভিউ খোজার পালা। ভিউ কোথায় পাবে।

বিভিন্ন ওয়েবসাইট,ফেইসবুক,টুইটার ইন্সটাগ্রাম এ লিংক শেয়ার করে। তারপর দেখা যায় সেই ভিডিওর লিংকটি সবার কাছে পৌঁছে যায়। ফলে সবাই দেখে যে এ ধরনের ভিডিও অনেকবার দেখেছি আর দেখবো না। সবাই স্কিপ করে চলে যায়। ফলে আপনার ভিউ কাউন্ট হয় না আর টাকা ইনকাম তো দুরের কথা। বর্তমানে ইউটুবের বড় শর্ত হলো কারো ভিডিও, টাইটেল,ট্যাগ কপি করা যাবে না। কপি করলে কপিরাইট স্ট্রাইগ খাবেন আর খেলেই চ্যানেল শেষ।
বিষয়টা নিয়ে ভাল ভাবে চিন্তা করে দেখুন কাজ করবেন কিনা। যদি কাজ করতে চান তাহলে কপিরাইট নিয়ে কাজ করা যাবে না।

Video upload ভিডিও আপলোড :

এখন ভিডিও আপলোড করতে হবে। ভিডিও আপলোড করার জন্য আপনাকে উপযুক্ত উন্নতমানের ভিডিও বানাতে হবে।যে সব ভিডিও তৈরি করবেন সে ভিডিওটি সম্পুর্ণ আপনার নিজের হতে হবে। কোন প্রকার কপিরাইট ভিডিও আপলোড করা যাবে না।

এমন ভিডিও তৈরি করবেন যে ভিডিও আর কেউ তৈরি করে নি। অন্যের কোন ভিডিও কেটে ইডিট করে আপলোড করা যাবে না।
এবার আপলোড করার জন্য ইউটুবের ড্যান বোর্ডে চলে যান। তারপর ইউটুব বেটা ভার্সনটিতে প্রবেশ করুন। মূল ড্যাসবোর্ডে আসার পরে সাইটে দেখবেন —> আপলোড অপশন পাবেন সেখানে ক্লিক করুন।

তারপর আপনার গ্যালারি থেকে আপনার তৈরি কৃত ভিডিওটি সিলেক্ট করে ডান অপশনে ক্লিক করুন। এবার আপনার ভিডিওটি আপলোড নেওয়া শুরু করবে।

ডিস্ক্রিপশন (Description) :

এই ফাকা বক্সটিতে আপলোড কৃত ভিডিও সম্পর্কে লিখতে হবে। আপনার ভিডিওটি কোন ধরনের সে ধরনের টপিক লিখতে হবে। আপনার ভিডিও একরকম আর লেখাটা বে টাইটেল অন্য রকম করলে হবে না। আর ডিসক্রিপশন লিখতে হবে ৫,০০০ ওয়ার্ডের মধ্যে। এর উপরে আপনি লিখতে পারবেন না বরং আপনি চাইলে কম লিখতে পারেন।

ডিসক্রিপশন বক্স এ অবশ্যই পাট পাট অংশ রাখতে হবে। যেমন : প্রথমেই ভিডিওর জন্য যে টাইটেল নির্বাচন করেছেন সেই টাইটেলটি ভিডিওর ডিসক্রিপশন বক্স এ দিন।

তারপর দ্বিতীয় অংশে ভিডিও সম্পর্কে লিখুন।
তারপর আপনার আরো অন্যান্য ভিডিও বা চ্যানেল সম্পর্কে লিখুন।
একেবারে শেষে কিছু ট্যাগ লিখতে পারেন।

ট্যাগ (Tags) :

ট্যাগ নির্বাচন করার আগে আপনাকে চিন্তা করতে হবে যাতে টপিকের বাইরে না যায়। বুঝতে পারলেন না তো ভালো করে বুঝাচ্ছি। প্রথমেই আপনাকে দেখতে হবে টাইটেলটি। কারণ টাইটেলটিই হলো আপনার প্রথম ট্যাগ।

টাইটেলটি যদি ট্যাগে ব্যবহার না করেন তাহলে আপনার ভিডিওটি রেংক করার সম্বাবনা অনেক কম। আর টাইটেলটি ট্যাগে ব্যবহার করলে ১০০% রেংক করার সম্ভাবনা থাকে। তাই ট্যাগ ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। তারপর আপনার ভিডিও টপিকের উপর ভিত্তি করে ট্যাগ নির্বাচন করুন।

নিয়মিত ভিডিও আপলোড Regular video upload your youtube channel.

আপনার তৈরিকৃত ইউটুব চ্যানেলে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে। কারণ আপনি যদি ইউটুবে সফল হতে চান তাহলে নিয়মিত ভিডিও আপলোড দিন। সেটা হতে পারে প্রতিদিন একটা ভিডিও।
আবার হতে পারে একদিন পর পর। চাইলে দুই দিন পর পর ভিডিও আপলোড করতে পারেন।

সেটা হতে হবে নিয়মিত ভিডিও আপলোড। আপনি চাইলে সাত দিন পর পর ভিডিও আপলোড করতে পারেন।

Leave a Comment