Science and technology in personal life 2022

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার দৈনন্দিন জীবনে আমরা প্রতি সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করি।

তবে আমরা অনেকেই জানি না তথ্য ও প্রযুক্তি কি?

আজ আমরা তথ্য ও প্রযুক্তি সমন্বে জানবো। আদি কালে মানুষ তথ্য ও প্রযুক্তি কি তা জানতো না আর কলপনাও করতো না। আমরাও আশা করিনি যে তথ্য ও প্রযুক্তি আমাদের জীবনে এতো প্রভাব ফেলবে। আজ কাল প্রতিদিন প্রতি সময় তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার করে থাকি। আসলে অনেকেই জানা না তথ্য ও প্রযুক্তি কোনটা।

নিজের ব্যক্তি জীবনে যোগাযোগ : প্রথমেই জেনে নেওয়া ভালো নিজে যে যে প্রযুক্তি সব সময় ব্যবহার করি। আমাদের প্রায় অধিকাংশ মানুষের কাছে মোবাইল ফোন আছে। আজ কাল মোবাইল নেই এরকম মানুষ খুজে পাওয়া আপনার কাছে খুবই কঠিন। এই মোবাইল ই হচেছ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্রযুক্তি।

আমরা এই মোবাইল ব্যবহার করে পৃথিবীর সব দেশে সেকেন্ডের ভিতরে কল দিয়ে কথা বলতে পারি। এটাই তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার। যা কিছু বছর আগে এসব কলপনার বাইরে ছিলো। তথ্য ও প্রযুক্তি আমাদের জীবনে এতো প্রভাব ফেলেছে যা বলার বাইরে। আমরা দৈনন্দিন জীবনে যা কিছু ব্যবহার করি প্রায় সবই তথ্য ও প্রযুক্তির অংশ। তাই এখন কম সময়ে মোবাইল ব্যবহার করে অনেক কাজ এগিয়ে নিতে পারছি। যা আগে করা যায় নাই।

বিনোদন :

তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু কাজিই নয় বরং বিনোদন করতে পারি। এখন কম্পিউটার, টিভি,মোবাইল ব্যবহার নাটক,ছবি গান,গজল ও ওয়াজ মাহফিল দেখতে ও শুনতে পাই, এসব তথ্য ও প্রযুক্তি অবদান। আগে খবর, গান শোনার জন্য রেডিও ক্যাসেট ব্যবহার করতো,এখন হাতের মুঠোয় থাকা মোবাইলে সব দেখা যায়।

আগে শুধু ধনিরাই ক্যামেরা ব্যবহার করে ছবি তুলতে পারতো এখন তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবাই ছবি তুলতে পারে। সুধু ছবি তোলাই না বরং ভিডিও করতে পারবেন। মোবাইল ফোন এখন দিন যত যায় ততই আপডেট হচেছ।

সবার কাছে তথ্য ও প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে কম্পিউটার এখন ছোট হওয়া শুরু করেছে। কম্পিউটার থেকে ল্যাপটপ, ল্যাপটপ থেকে অ্যানড্রয়েড মোবাইলে পৌঁছেছে। যাতে ধনী – গরিব ব্যবধানে না থাকে, সবাই এই তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে এবং নিজের কাজে ব্যবহার করে সময় সেভ করতে পারে।

জিপিএস : আজ কাল নতুন নতুন গাড়িতেছ জিপিএস সেট করা থাকে যাতে সঠিক জায়গায় যেতে কোন সমস্যা না হয়। লোকেশন ট্যাগ করে আপনাকে আপনার গনতববে পৌঁছে দিবে জিপিএস।
এই সুবিধা যেন সবাই ব্যবহার করতে পারে সেজন্য মোবাইলেও এই জিপিএস সেট করা আছে। চাইলে সেটি ব্যবহার করে আপনার সময় বাচাতে পারেন। এসব শুধু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবদান। এখনকার সময় কোন মানুষ প্রযুক্তি ছাড়া চলতে পারবে না। কারণ প্রযুক্তি মানুষের দেহের ভিতর প্রবেশ করে ফেলেছে। আমাদের শারিরিক পরিশ্রম কমিয়ে দিয়েছে প্রযুক্তি। প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা সারা দিনের কাজ মিনিটেই করতে পারি।এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা সোস্যাল মিডিয়ায় তথ্য শেয়ার করে ভাইরাল করতে পারি।

স্যাটেলাইট : ১২ মে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে প্রথম স্যাটেলাইট মহাকাশে প্রেরন করেন। এই স্যাটেলাইট আমাদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অংশ। কারন এই স্যাটেলাইট ব্যবহার করে আমরা পৃথিবীর সব খবর পেতে পারি। তাই এখন আপনি বলতে পারেন তথ্য ও প্রযুক্তি আমাদের জীবনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।

Email ই-মেইল :

ইমেইল সেবাটি অনেক বড় একটি ম্যাসেজিং সাইট। যাতে যে কোন লেখা, ফাইল,লিংক সেকেন্ডর ভিতরে পৃথিবীর যে কোন দেশে পাঠাতে সাহায্য করে। ম্যাসেজ করতে অনেক বড় মাধ্যম ই-মেইল।

Computer network কম্পিউটার নেটওয়াক :

কম্পিউটারে নেট ব্যবহার করে সব খানে ভিডিও কল করে কথা বলতে পারবেন। তাছাড়া গান,ছবি,নাটক,ওয়াজ,গজল ডাউনলোড করতে পারবেন। কম্পিউটার ব্যবহার করে মেমোরি লোড দিতে পারেন।

Online business অনলাইন বিজনেস :

আজকাল ব্যবসার জন্য মানুষ অনলাইন ওয়েব সাইট ব্যবহার করছে। অনলাইনে সব কিছুই পাওয়া যায়। খাবার অডার করলে খাবার পাওয়া যায়।কাপড় অডার করলে কাপড় পাওয়া যায়। ঘরের আসবাব, প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ যা প্রয়োজন ঘরের বসে পেয়ে যাবেন। এসব শুধু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবদান।

পড়াশোনার জন্য University exam দিতে অনলাইনে টাকা জমা দিলেই হয়। যা আগে এই সুবিধাটি ছিলো না এসব তথ্য ও প্রযুক্তির অবদান।

Online jobs অনলাইন জব :

আজকাল ব্যস্ত এই শহরে জ্যামের কারণে মানুষ অফিসে গিয়ে কাজ করতে অপছন্দ করে। তাই ঘরে বসে জব করা যায় এরকম চাকুরিয়া খোজে যা ল্যাপটপ ব্যবহার করে অনলাইনে কাজ জমা দিতে পারে। আজ কাল তাই হচেছ এটাই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

Robot রোবট :

তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে রোবট বানানো হচেছ যাতে কঠিন কাজ গুলো করতে মানুষের কোন বিপদ না হয়। বিমান,জাহাজ হেলিকাপটার তৈরিতে যে সমস্ত ধাতব টুকরা ব্যবহার হয়, তা সঠিক মাপে কাটার জন্য রোবট ব্যবহার করা হয়।কারন অধিক দাপে ধাতব উপকরণ ছিটকিয়ে ছিটকিয়ে এদিক ওদিক পড়ে। তাই এসব কঠিন কাজ গুলো রোবট দিয়ে করা হয়।

Science and technology কর্ম জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি :

এখন পড়াশোনা ও লিখার জন্য কাগজ ব্যবহৃত হয় না, কারণ ল্যাপটপ দিয়েই লেখার কাজ সম্পাদন করে। সেই লেখা বিভিনন জায়গায় পাঠানো যায় আর সেভ করেও রাখা যায় নোট প্যাডে। বিয়ের কাড তৈরিতে কাগজ বা কাড ব্যবহার করা হয়। সেই কাড এখন ল্যাপটপ দিয়েই লিখে ই- মেইল বা ম্যাসেজ করে ইনভাইট করে, ফলে কাগজ ব্যবহার কমে গেছে। ছবি সংরখন আর বিতরনের জন্য চমৎকার ওয়েবসাইট রয়েছে। যা ব্যবহার করে আমাদের গুরুত্ব পুর্ন ছবি,ফাইল,লেখা সেভ করে রাখতে পারি।

প্রতিদিন আমরা ফেইসবুক ব্যবহার করি। এই ফেইসবুক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম অবদান। সমাজ জীবনে ফেইসবুক এর গুরুত্ব অনেক। আমরা সময় কাটানোর জন্য ফেইসবুক ব্যবহার করি কেউবা বিনোদনের জন্য ফেইসবুক ব্যবহার করে। কিনতু ফেইসবুক থেকেও এখন ইনকাম করা যায় তা অনেকেই জানে না। ফেইসবুকে বিভিনন ছবি,লেখা,ভিডিও আপলোড করে বনধুদের সাথে যোগাযোগ করা যায় এটাই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার। পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ আজ কাল ফেইসবুক ব্যবহার করে।

বাংলাদেশের প্রযুক্তি বিদগণ ডিজিটাল ভাবে ভোট নেওয়া ও গণনার জন্য বিশেষ প্রযুক্তি তৈরি করেছে। যাতে অনেক কাগজ ও কালির ব্যবহার কমে গেছে ও টাকার ব্যয় কমে গেছে। এভাবেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করে থাকি। যা আমাদের জীবনে ব্যাপক ভাবে প্রভাব ফেলেছে।

Web creating

আমরা সবাই কম বেশি ইনকাম করে থাকি। আর সেই ইনকাম যদি ফেইসবুক, ইউটুব,ফেইসবুক পেজ,ফেইসবুক গ্রুপ, অ্যাপ্লিকেশন কিনবা ওয়েব সাইট থেকে করা যায় তাহলে ব্যাপারটা তো অন্যরকম। তাই এই সমস্ত সাইটে ইনকাম করার জন্য কিছু নিয়ম নীতি আছে। যা আমরা সঠিক ব্যাবহারে কাজ করলে অনেক ইনকাম করতে পারি। আমরা ওয়েব সাইট তৈরি করে থাকি।আপনারা যেমন সাইট চাইবেন তেমন সাইট আমরা তৈরি করে দেই। এপ্লিকেশন ও তৈরি করে থাকি। আপনাদের প্রয়োজন হলে কমেন্ট করুন। ফেইসবুক থেকে আমরা ইনকাম করতে পারি। কারন এটি হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। যাই পোস্ট করেন না কেন খুব অল্প সময়ে ছড়িয়ে পরে পৃথিবীর যে কোন দেশে।

তবে একটি ওয়েব সাইট যদি আপনার থাকে তাহলে ব্যাপারটা অন্যরকম। যেমন ধরেন আপনি আপনার ওয়েব সাইটে বিভিন্ন ধরনের অ্যাফিলিয়েট লিংক শেয়ার করে আয় করতে পারবেন। সেই লিংকে যত ক্লিক পড়বে তার যে কোন % আপনি পাবেন বা স্বয়ংত্রিয় ভাবে জমা হবে। তাছাড়া কোন প্রডাক্ট নিয়ে কাজ বা আর্টিকেল লিখতে পারেন। আপনার পার্সোনাল ডাটা সংগ্রহ করতে পারেন। আবার আপনি এটি গুগল অ্যাডসেন্সের সাথে সংযুক্ত করতে পারেন। ওয়েব সাইট আপনি আরো বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার করতে পারবেন।

তবে আপনাকে ওয়েব সাইট তৈরির আগে চিন্তা করতে হবে আপনি কোন ধরনের ওয়েব সাইট পছন্দ করেন। আপনার যে কাজ ভাল পারবেন সে ধরনের ওয়েব সাইট অর্ডার করুন। কমেন্ট করুন।

Leave a Comment