শীতকালে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সে এর অভাবে কোন ধরনের রোগ বেশি হয়

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স হল পানিতে দ্রবণীয় কতগুলো ভিটামিন এর সমষ্টি। শরীরের বিপাকীয় কাজে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সাহায্য করে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স হল b1 থায়ামিন b2 রিবোফ্লাভিন। b3 নিয়াসিন b5 প্যানটোথেনিক অ্যাসিড। বিসিক পাইরিডক্সিন। বি7 বায়োটিন b9 ফলেট b12 কোবালামিন পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন গুলো দেহে জমা থাকে না।
প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এজন্য প্রতিদিন আমাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিটামিন বি কমপ্লেক্স গ্রহণ করতে হয়।

v1থায়ামিন

উৎস
ঢেঁকি শালা শাল ছোলা বাদাম সব ধরনের ডাল মটর শুটি।
অভাবজনিত রোগ বেরিবেরি।

বি২ রিবোফ্লাভিন

উৎস
দুধ ও দুধ থেকে তৈরি খাবার ডিমের কুসুম মাংস কাঠবাদাম।
অভাবজনিত রোগ মুখের কোনায় ঘা।

বি৩ নিআসেন

উৎস
ডিম মাছ মুরগির মাংস মাশরুম ব্রোকলিঃ চিনাবাদাম।
অভাবজনিত রোগ পেলাগ্রা ডায়রিয়া স্মৃতিলোপ।

b5 পপ্যানটোথেনিক অ্যাসিড

উৎস
বাঁধাকপি ব্রোকলিঃ আলুর মিষ্টি আলু মাশরুম দুধ ও দুধ থেকে তৈরি খাবার বাদাম ছোলা ডাল।

অভাবজনিত রোগ ব্রণ ত্বকের স্বাভাবিক অনুভূতি।

বি৬ পাইরিডক্সিন

উৎস
কলা আলু বাদাম ছোলা কলিজা তরমুজ পালংশাক কিসমিস।
অভাবজনিত রোগ ত্বকের প্রদাহ পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি।

b7 বায়োটিন

উৎস
ডিমের কুসুম কলি যা সব ধরনের বাদাম ফুলকপি কলা মাশরুম ডাল।
অভাবজনিত রোগ চুল ও নখের বৃদ্ধি অব্যাহত হওয়া।

বি৯ ফলেট

পালং শাক লেটুস অঙ্কুরিত ছোলা এভোক্যাডো।
অভাবজনিত রোগ মাইক্রোসাইটিক অ্যানিমিয়া।

শিশুদের জন্মগত ত্রুটি নিউরাল টিউব ডিফেন্স এর ঝুকি বেড়ে যাওয়া।

b12 কোবালামিন

উৎস
দুধ দই পনির মাংস ডিম মাছ।
অভাবজনিত রোগ মাইক্রোসাইটিক অ্যানিমিয়া পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি।

নিজের শরীর বা স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমরা কতটা সচেতন সুস্বাস্থ্যের জন্য কিছু নিয়ম জানা ও মানার জরুরী। এসব বিধির নিয়মিত চর্চা এ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান শারীরিক মানসিক এবং সামাজিকভাবে ভালো থাকার জন্য দরকার। কেউ অসুস্থ হওয়া মানে পুরো পরিবারই চিন্তিত হয়ে পড়া।
আর চিকিৎসক ধারে কাছে না থাকলে বা বাড়ি থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র অনেক দূরে হলে ভোগান্তির আর শেষ নেই।

উচ্চ কলেস্টেরল

কোলেস্টেরল শব্দটির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। রক্তে যার অস্বাভাবিক উপস্থিতি আমাদের ভাবায়। রক্তে উচ্চ তাপমাত্রার কোলেস্টেরলকে ডিসলিপিডেমিয়া বলে। এটি হাইপারলিপিডিমিয়া বা হাইপার কোলেস্টেরলের মিয়া হিসেবেও পরিচিত।
রক্তে ভাসমান ও চর্বি গুলো স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে পরিমাণে বেশি হয়ে গেলে তা আমাদের নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়। এ চর্বিগুলো রক্তে মুক্ত ভাবে থাকে না। প্রোটিন এর সাথে যুক্ত হয়ে এগুলোর রক্তে ভেসে বেড়ায়। এগুলোকে একত্রে বলা হয় লাইপোপ্রোটিন।

কোলেস্টেরল এর সব লাইপোপ্রোটিনের মধ্যে যেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাদেরকে সাধারণভাবে ক্ষতিকর চর্বি বা মন্ত্র বলে। ভি এল ডি এল এল ডি এল টি জি ও কোলেস্ট্রল হলো ক্ষতিকর চর্বি।

অন্যদিকে এইচডিএল যা রক্তের ক্ষতিকর চর্বি কমিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেয় বলে কি উপকারী চর্বি বা ভালো চর্বি ও বলে। ক্ষতিকর চর্বির আধিক্য যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তেমনি ভালো চর্বি তথা এইচ ডি এল এর আধিক্য স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
এটি রক্তের ক্ষতিকর চর্বি কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। তাই রক্তে এইচডিএলের মাত্রা বেশি হওয়ায় কাম্য।
রক্তে চর্বির পরিমাণ জানতে যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষাটি করতে হয় তার নাম সিরাম লিপিড প্রোফাইল।
কমপক্ষে 10 থেকে 12 ঘণ্টা অভুক্ত থাকার পর রক্তের এ পরীক্ষাটি করতে হয়। যাদের করোনারি হৃদরোগ ও ডিস্লিপিদেমিয়া পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে যারা ডায়াবেটিস উচ্চ রক্তচাপ বা স্থূলতায় ভুগছেন তাদের সেরকম লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষাটি করে নেওয়া উচিত।

নবজাতক এবং শিশুর যত্ন আত্তি নিয়ে নানারকম ভুল ধারণা আগে থেকেই প্রচলিত। যেগুলো অনায়াসে ঢুকে পড়েছেনব দম্পতিদের মধ্যে। শিশুর যত্নে ভুলগুলোকে শুধরে নেওয়া খুবই জরুরি কারণ এতে শিশুর স্বাস্থ্যগত ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে।

ভ্রমণ স্বাস্থ্য।

ভ্রমণ সম্পর্কিত স্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অথচ দেশে সুপ্রতিষ্ঠিত কোন ট্রাভেল ক্লিনিক নেই। এমনই ট্রাভেল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন পেশাজীবী তৈরি হয়নি। ভ্রমণ স্থানের ভূপ্রকৃতি আবহাওয়া পরিবেশের উপাদান। বাসস্থান যানবাহন জনস্বাস্থ্যের অবস্থা সংক্রামক রোগের ঝুঁকি ভ্রমণকারীর আচরণ ভ্রমণের স্থায়িত্ব স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে।

Leave a Comment