ঘাড় ও কোমরে ব্যথা হলে কি করবেন

ঘাড় ও কোমরে ব্যথা

ঘাড় ও কোমরে ব্যথা হলে আমাদের কিছু বাড়তি কাজ করতে হবে। ঘরোয়া ভাবে কিছু চিকিৎসা রয়েছে। সে চিকিৎসা গুলো আমাদের শরীরে প্রয়োগ করতে হবে। দৈনন্দিন বাড়তে থাকা কাজের চাপের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘাড় ও কোমর পিঠ ব্যথা। সমস্যা যাই হোক না কেন, চট করে কাজের ধরন বদলে ফেলা কখনোই সম্ভব নয়।

তবে কাজের চাপে আমাদের ঘাড়ের ব্যথা বাড়ে। কোমর ও পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারি না।

তাই এই সমস্ত রোগ থেকে বেঁচে থাকার জন্য আমাদেরকে কিছু কাজ পরিবর্তন করা জরুরি। আরো পরিবর্তন করতে হবে আমাদের হাঁটাচলা এবং আমাদের পদ্ধতিগুলো। আমরা যেভাবে বসে থাকি কিংবা শুয়ে থাকি এই অভ্যাসগুলো আমাদের কে পরিবর্তন করতে হবে।

আমরা যেগুলো পদ্ধতি অবলম্বন করে আমাদের এই সমস্যাগুলো দূর করতে পারি।

যদি আমাদের অনেকক্ষণ অফিসে বসে কাজ করতে হয়, তাহলে মাঝে মাঝে আমরা দুই থেকে তিন মিনিটে কাজ বন্ধ রেখে একটু হেঁটে চলে আসি। চিকিৎসকরা গবেষণা করে দেখেন, একটানা দুই ঘন্টা কিংবা তিন ঘন্টা বসে থাকলে তাদের শরীরের কোলেস্টেরল ২০% কমে যায়।

সেই সঙ্গে শরীরের ফ্যাট ও অধিকাংশই কমে যায়। আরও চার ঘন্টা যদি বসে থাকা যায় তাহলে আরো বড় ধরনের রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

তাই দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে আমাদের ঘাড়ে পিঠে এবং মাজায় ব্যথা বাড়তে থাকবে কমবে না।
আমাদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে হাঁটাচলা এবং বসে থাকে। এইগুলো কে বর্জন করতে হবে? বসে থাকা দাঁড়ানো এবং সবার মধ্যে স্বাভাবিক পন্থা অবলম্বন করুন।

কোথাও গেলে কিংবা কোন আত্মীয়র বাসায় গেলে আমরা পিঠে ভারী ব্যাগ বহন করি সেগুলো থেকে বিরত থাকুন।

আপনার শরীরে ব্যথা হয়েছে এমতাবস্থায় আপনার মাথায় কিংবা গলায় কোন ধরনের বেল কিংবা কাপড় বেঁধে রাখবেন না। তবে অধিক ব্যথা হলে আপনাকে অবশ্যই ফিজিওথেরাপি ডাক্তারদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করাই বেটার হবে।

ঘুমানোর সময় অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন আপনার বালিশের উচ্চতা কতটুকু এবং বালিস শক্ত কিংবা নরম সেগুলো দেখে তারপরে ঘুমানো উচিত।

বাহ্যিক ব্যবহার করুন সরিষার তেল ও কালো জিরার তেল ১০০ গুন সমাধান পাবেন।

কারণ ঘুমের কমবেশি তে আপনার ঘাড় ও পিঠ ব্যথা হতে পারে। তাই আপনাকে সেই বিষয়ে খুবই সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *